মাহফুজুর রহমান মাসুমঃ-
টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) আজ এক সফল মাদকবিরোধী অভিযানে ১০,০০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে এবং এর সাথে জড়িত দুই মাদক পাচারকারীকে আটক করেছে। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)’র K-9 ইউনিটের দক্ষ ডগ ‘মেঘলা’ এই বিপুল পরিমাণ মাদক শনাক্তকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
আজ, ৩০ আগস্ট ২০২৫ তারিখ আনুমানিক ১৪৩০ ঘটিকায় টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) এর দমদমিয়া চেকপোস্টে কর্তব্যরত বিজিবি সদস্যরা কুতুপালং হতে টেকনাফগামী একটি রেজিঃ বিহীন ‘সিএনজি’ (চেসিজ নং MBX0004CFMF116855 এবং ইঞ্জিন নং অস্পষ্ট) তল্লাশীর জন্য থামায়। সিএনসিজি’টি থামানোর পর, বিজিবি K-9 ইউনিটের দক্ষ সদস্য ডগ ‘মেঘলা’ (বিজিডি-১০৮৯, নারকোটিক্স, মহিলা) তল্লাশি শুরু করলে তাৎক্ষণিকভাবে সিএনজি’র পিছনের সিটের বাম পাশে বসা বস্তাসহ একজন আসনধারীর বস্তায় ক্রমাগত সংকেত দিতে থাকে। একই মুহূর্তে ঐ আসনের আরোহীর সন্দেহজনক আচরণ কর্তব্যরত বিজিবি সৈনিকদের নজরে আসে। পরবর্তীতে সৈনিকরা তাকে এবং বস্তাটি তল্লাশি করে বস্তার ভিতরে রাজমিস্ত্রীর কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জামাদির নিচে লুকানো বিশেষভাবে মোড়কজাতকৃত অবস্থায় ১০,০০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটক করে। উক্ত সময়ে অবৈধভাবে মাদকদ্রব্য পরিবহনে ব্যবহৃত সিএনজি’র চালক দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে বিজিবি টহল দল কর্তৃক তাকে আটক করে। বর্তমানে, আটককৃত আসামীদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরপূর্বক জব্দকৃত আলামতসহ টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন। ধৃত আসামীদের বিস্তারিত পরিচয় নিম্নরূপ:
(ক) মোহাম্মদ রফিক (২৯), পিতা-মৃত হারুন, ১৫ নং জামতলি এফডিএমএন ক্যাম্প, ব্লক-এ/৩, থানা-উখিয়া, জেলা-কক্সবাজার।
(খ) আবুল কাশেম (২৬), পিতা-মৃত ইউসুফ আলী, গ্রাম-মান্নান মেম্বরপাড়া, পোস্ট-আলীকদম, থানা-আলীকদম, জেলা-বান্দরবান।
এই অভিযানটি মাদক পাচারকারীদের প্রতি একটি স্পষ্ট বার্তা বহন করে যে, কোনো অপতৎপরতাই বিজিবি’র নজর এড়াতে পারবে না এবং দেশকে মাদকমুক্ত রাখতে আমাদের অভিযান চলমান থাকবে।


















