বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের হ্নীলা ইউনিয়ন উত্তর শাখার সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ বিন কাদের এক আবেগময় বিবৃতিতে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসের ছাত্র আন্দোলনে নিজের সক্রিয় ভূমিকার কথা তুলে ধরে বলেন,আন্দোলনের প্রতিটি ধাপে আমি ছিলাম, মামলা খেয়েছি, কারাবরণ করেছি। আর এখন সেই আন্দোলনের নামে যারা দালালি করে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে চায়, তারা প্রকৃত ইতিহাস বিকৃত করছে।
বিবৃতিতে আব্দুল্লাহ বলেন, ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদের ওপর ছাত্রলীগের বর্বর হামলা এবং পরদিন রংপুর ও চট্টগ্রামে ছাত্রনেতা আবু সাইদ ও ওয়াসিম আকরামের শাহাদাতের খবরে তিনি গভীরভাবে মর্মাহত হন এবং হ্নীলায় একটি ছাত্র-যুব ঐক্যের মাধ্যমে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।
আব্দুল্লাহ বিন কাদের বলেন,আমি টেকনাফে আন্দোলনের প্রথম গ্রেফতারকৃত যুবদল কর্মী ছিলাম। পুলিশ আমাকে রাতে ধরে নিয়ে যায় স্থানীয় প্রভাবশালীদের নির্দেশে,তিনি জানান, ৩০ জুলাই জামিনে মুক্ত হয়ে আন্দোলনের প্রস্তুতি পুনরায় শুরু করেন। ৫ আগস্ট “লং মার্চ টু ঢাকা” কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে হ্নীলায় ব্যাপক মিছিল অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে পুলিশের উপস্থিতি উপেক্ষা করে তারা রাস্তায় নামে।
তিনি অভিযোগ করেন, “আজ যখন দেখছি কিছু সুবিধাবাদী ব্যক্তি এনসিপি বা ছাত্র প্রতিনিধি পরিচয়ে থানার দালালি করছে, তখন মনে হয় আমাদের রক্ত বৃথা গেল!তিনি আরো জানান,আমি আব্দুল্লাহ বিন কাদের, ঘোষণা দিচ্ছি যদি এই চেতনাবাজদের সত্যায়ন করতে হয়, তবে আমি স্বেচ্ছায় রাজনীতি থেকে অবসর গ্রহণ করব। আমরা রক্ত দিয়েছি, চেতনার ব্যবসা করিনি।
তার এ বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই এটিকে জুলাই বিপ্লবের সত্য ইতিহাস রক্ষার একটি সাহসী পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।

















