Thursday , 16 April 2026 | [bangla_date]
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উখিয়া
  5. কক্সবাজার
  6. কৃষি খবর
  7. খেলা
  8. খেলাধুলা
  9. গোপালগঞ্জ
  10. চকরিয়া
  11. চট্টগ্রাম বিভাগ
  12. জাতীয়
  13. টেকনাফ
  14. ঢাকা
  15. দিনাজপুর

কবির হোসেন প্রকৃত কৃষক, এআই ছবি ও গুজব ছড়িয়ে বিভ্রান্তি

প্রতিবেদক
admin
April 16, 2026 12:07 pm

টাঙ্গাইলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে কৃষক কার্ড পাওয়া কবির হোসেনকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে তুমুল বিতর্ক ও বিভ্রান্তি। এআই-নির্ভর ছবি ও আংশিক তথ্যের ভিত্তিতে তাকে ‘অপ্রকৃত কৃষক’ দাবি করা হলেও সরেজমিন তদন্ত, প্রশাসনের যাচাই-বাছাই ও স্থানীয়দের বক্তব্যে উঠে এসেছে ভিন্ন চিত্র। সংশ্লিষ্টদের দাবি- কবির হোসেন একজন প্রকৃত প্রান্তিক কৃষক এবং নীতিমালা অনুযায়ী কৃষক কার্ড পাওয়ার যোগ্য।

 

জানা গেছে, মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) টাঙ্গাইল শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে আয়োজিত কৃষক কার্ড বিতরণ ও প্রি-পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির হাত থেকে কার্ড নেন ঘারিন্দা ইউনিয়নের উত্তর তারটিয়া গ্রামের বাসিন্দা মৃত আবু সাইদ মিয়ার ছেলে কবির হোসেনসহ ১৫ জন কৃষক। একইসঙ্গে কৃষক হিসেবে কবির হোসেন সেখানে সাবলিলভাবে বক্তব্য রাখেন। তবে অনুষ্ঠান শেষে হঠাৎ করেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার কিছু ছবি ভাইরাল হয়, যেখানে তাকে বিত্তশালী বা ‘অপ্রকৃত কৃষক’ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। একই সঙ্গে তার পূর্বে পোস্ট করা এআই-নির্ভর কিছু ছবিও নতুন করে ছড়িয়ে পড়ে, যা বিভ্রান্তিকে আরও বাড়িয়ে তোলে।

 

তবে বুধবার বিকেল ও বৃহস্পতিবার (১৭ এপ্রিল) সকালে সরেজমিনে গিয়ে ভিন্ন বাস্তবতা দেখা গেছে। কবির হোসেন আসলে ‘প্রকৃত কৃষক’। তিনি একটি সাধারণ টিনের ঘরে বসবাস করেন। বাড়ির সামনে সবজি চাষ এবং পেছনে গরু, হাঁস-মুরগি পালন করে জীবিকা নির্বাহ করেন। তার নিজস্ব জমি রয়েছে প্রায় ১৩ শতাংশ, পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে অন্যের জমি বর্গা নিয়ে কৃষিকাজ করে আসছেন। স্থানীয়দের কাছে তিনি একজন ক্ষুদ্র কৃষক হিসেবেই পরিচিত।

 

 

মো. জয়নাল, কুরবান আলীসহ একাধিক কৃষক জানান, কবির নিয়মিত কৃষিকাজ করেন এবং পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কনটেন্ট তৈরি করেন। এই দুই কার্যক্রম একসঙ্গে করায় অনেকেই বিভ্রান্ত হয়েছেন। তবে কৃষিকাজই তার মূল পেশা, এ বিষয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে কোনো দ্বিমত নেই।

 

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডকে প্রশ্নবিদ্ধ ও বিতর্কিত করতে একটি স্বার্থান্বেষী মহল শুরু থেকেই পরিকল্পিতভাবে অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সেই ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবেই টাঙ্গাইলের কৃষক কার্ড কার্যক্রম নিয়েও নানা ধরনের বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

 

জানা গেছে, কৃষক কবির হোসেনের জীবনের পথচলাও সংগ্রামমুখর। ১৯৯২ সালে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে অকৃতকার্য হওয়ার পর জীবিকার সন্ধানে বিদেশে পাড়ি জমান। সেখানে সফল না হয়ে দেশে ফিরে কৃষিকাজে মনোনিবেশ করেন। বর্তমানে তার একটি সেচ মেশিন রয়েছে, যা দিয়ে তিনি নিজে এবং আশপাশের জমিতে সেচ সুবিধা দিয়ে থাকেন। পাশাপাশি ফেসবুক পেইজে ছবি ও ভিডিও প্রকাশের মাধ্যমে এলাকায় পরিচিতি পেয়েছেন।

 

এদিকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা বাড়তে থাকায় কৃষি প্রশাসন নড়েচড়ে বসে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বুধবার (১৫ এপ্রিল) কবির হোসেনের বাড়িতে সরেজমিন পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে তারা জানান, কবির হোসেন প্রকৃতপক্ষে একজন কৃষক এবং তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন।

 

একইসঙ্গে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গঠিত পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটিও সরেজমিনে ঘটনাটি খতিয়ে দেখে। বুধবার রাতে জমা দেওয়া তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ‘কৃষক স্মার্ট কার্ড নীতিমালা ২০২৫’ অনুযায়ী কবির হোসেন একজন প্রান্তিক কৃষক হিসেবে কার্ড পাওয়ার যোগ্য। জেলা প্রশাসক শরীফা হক কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিবকে লিখিতভাবে এ তথ্য জানিয়েছেন।

 

প্রধানমন্ত্রী জানতে চাইলে কবির হোসেন বলেন, আমি একজন কৃষক। বাবার রেখে যাওয়া অল্প জমি আছে, পাশাপাশি অন্যের জমিতে বর্গা চাষ করি। কৃষিকাজের পাশাপাশি ফেসবুকে কনটেন্ট বানিয়ে কিছু অতিরিক্ত আয় করি। আমার কিছু এআই ছবি পোস্ট করার কারণে এখন অনেকে ভুল বুঝছে। একজন কৃষকের কি ভালো পোশাক পরা অপরাধ? সাজিয়ে-গুছিয়ে শুদ্ধভাবে কথা বলা যদি অপরাধ হয়, তাহলে আমি সত্যিই বড় অপরাধী।

 

তার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, আমার কোনো রাজনৈতিক পদ-পদবি নেই। আমাকে নিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে অনেকে মিথ্যা তথ্য ও গুজব ছড়াচ্ছে। এ কারণে আমি শারীরিক ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়ছি। আমি এর সঠিক বিচার চাই। এ সময় কথা বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।

 

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও কৃষক কবির হোসেনের পক্ষে কথা বলেছেন। ঘারিন্দা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সৈয়দ কবিরুজ্জামান ডল বলেন, কবির দীর্ঘদিন ধরে কৃষিকাজ করছেন এবং গরু পালন ও সবজি চাষের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করেন। তার বিরুদ্ধে ছড়ানো তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

 

এ প্রসঙ্গে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আব্দুর রহিম বলেন, প্রকৃত বিষয়টি উদঘাটনের জন্য আমরা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছি এবং সেখানে কবির হোসেনকে একজন প্রকৃত কৃষক হিসেবে পেয়েছি। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সঠিক নয়; তিনি প্রান্তিক পর্যায়ের একজন কৃষক।

 

তিনি আরও বলেন, কৃষক কার্ড গ্রহণের আগে কবির হোসেন সুসংগঠিতভাবে বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন এবং তার কথার সঙ্গে বাস্তবতার মিল পাওয়া গেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে দেশের কৃষকদের সম্মানিত করতে যে প্রি-পাইলটিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে, সেটিকে কেউ যাতে কালিমা লেপন করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

সর্বশেষ - টেকনাফ

আপনার জন্য নির্বাচিত

জুলাই বিপ্লবের আত্মদানে যারা ছিল না,তারাই এখন চেতনার ব্যানারধারী! হ্নীলার যুবদল নেতা আব্দুল্লাহর তীব্র প্রতিক্রিয়া

চট্টগ্রামে চিকুনগুনিয়ার প্রকোপ বেশি, বাড়ছে ডেঙ্গু-করোনাও

ঈদে মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: প্রবাসী সমাজসেবক এম বদিউজ্জামানের উদ্যোগে ২ হাজার অসহায়ের মাঝে চাল বিতরণ

দলিয় পরিচয় গোপন করে টেকনাফে এবার ভিন্নাঙ্গিকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম শুরু

বিজিবির অভিযানে বিশ হাজার  ইয়াবা নিয়ে  একজন আটক

প্রতিষ্ঠার প্রথম বছরেই আন-নূর রহমানিয়া একাডেমির ঈর্ষণীয় সাফল্য ২টি ট্যালেন্টফুল ও ২টি সাধারণ জেলা বৃত্তি অর্জন

যথেষ্ট পরিমাণে বাংলাদেশিদের ভারতীয় ভিসা দেয়া হচ্ছে: রণধীর জয়সওয়াল

টেকনাফে প্রায় ৬ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা মূল্যের ৩০ হাজার পিস ইয়াবা, ১ কেজি ক্রিস্টাল মেথ (আইস) জব্দ

টেকনাফ উপজেলার হ্নীলায় অবস্থিত ডাচ্-বাংলা এজেন্ট ব্যাংক। লুৎফর টেলিকম সেন্টারের স্বত্বাধিকারী লুৎফর আমিন বলেন গ্রাহকদের সেবার মান উন্নয়নের লক্ষে ডাচ্-বাংলা এজেন্ট ব্যাংকটি নতুন জায়গায় স্থানান্তর করতে যাচ্ছি। তিনি বিষয়টি তার ফেসবুক পেইজেও শেয়ার করেছেন।ফেসবুকে তিনি বলেন। সম্মানিত গ্রাহকবৃন্দের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, ডাচ্-বাংলা ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং হ্নীলা বাজার আউটলেট মের্সাস লুৎফর টেলিকম সেন্টার বর্তমানে আবু বক্কর মুন্সি মার্কেটের ২য় তলায় অবস্থিত থাকলেও, আগামী ১লা জানুয়ারি ২০২৬ ইং থেকে শাখাটির কার্যক্রম স্থানান্তরিত হয়ে জামিয়া দারুসসুন্নাহ মাদ্রাসা মার্কেটের ২য় তলায়(ইউনিয়ন ব্যাংকের পাশ্বে)নতুন ঠিকানায় পরিচালিত হবে। অতএব সম্মানিত গ্রাহকদের আগামী ১লা জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ থেকে নতুন ঠিকানায় এসে সকল প্রকার ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো যাচ্ছে। এই পরিবর্তনের মাধ্যমে আপনাদের আরও উন্নত ও নিরবচ্ছিন্ন সেবা প্রদানে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ধন্যবাদান্তে, লুৎফর আমিন স্বত্বাধিকারী ডাচ্-বাংলা এজেন্ট ব্যাংকিং হ্নিলা বাজার আউটলেট

চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ